প্রফেসর ডা : শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী | শুক্রবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | প্রিন্ট | 221 বার পঠিত
‘আল–কুদস’ ফিলিস্তিনের পবিত্র ভূমি জেরুজালেমে অবস্থিত মসজিদ, যা ‘মসজিদুল আকসা’ ও ‘বায়তুল মুকাদ্দাস’ নামে পরিচিত। ‘কুদস’ অর্থ পবিত্র। বায়তুল মুকাদ্দাস তথা মসজিদুল আকসা মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) মিরাজ রজনীতে মসজিদুল হারাম তথা কাবাশরিফ থেকে মসজিদুল আকসা তথা বায়তুল মুকাদ্দাসে প্রথম সফর করেন। তাঁর এ সফর ‘ইসরা’ নামে পরিচিত। ‘ইসরা’ নামে পবিত্র কোরআনে একটি সুরাও রয়েছে (সুরা-১৭ ইসরা, আয়াত: ১)।
প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মিরাজে গমনের সময় এ মসজিদে নবী-রাসুলদের ইমামতি করে নামাজ আদায় করেন। এতে তিনি ‘ইমামুল আম্বিয়া’ বা সব নবীর ইমাম ও ‘সাইয়েদুল মুরসালিন’ বা সব রাসুলের সরদার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। এ এলাকা অসংখ্য নবী-রাসুলের স্মৃতিবিজড়িত। এর আশপাশে অনেক নবী-রাসুলের মাজার রয়েছে। এটি দীর্ঘকালের ওহি অবতরণের স্থল, ইসলামের কেন্দ্র এবং ইসলামি সংস্কৃতির চারণভূমি ও ইসলাম প্রচারের লালনক্ষেত্র। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক ‘আল–কুদস’ বলে মনে করেন
প্রফেসর ডা : শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, ও জাতীয় জনতা ফোরামের উপদেষ্টা, প্রফেসর ডা : শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে যারা জড়িত, এমন প্রত্যেক জাতির জন্য একটি মাইলফলক হলো আল-কুদস দিবস। আল-কুদসের সাথে শুধু ধর্মীয় অনুভূতি নয়, জড়িত আছে ন্যায় ও অধিকারের প্রশ্ন। মসজিদুল আকসাসহ পবিত্র ভূমিকে যারা অবরুদ্ধ করে রেখেছে, তারা শুধু ইসলাম বিদ্বেষী নয়, তারা মানবতাবিদ্বেষী।
আজ ( শুক্রবার ২৫শে রমজান, ৫ এপ্রিল,) আন্তর্জাতিক আল-কুদ্স দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় আসারপর ফিলিস্তিনকে শুধু স্বীকৃতিই দেননি, বরং সবসময় মজলুম ফিলিস্তিনি জনতার পাশে থাকার যে দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন,। পরবর্তী সময়ে তাঁহার সেই অনুসরণের পথে বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার যতবার বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন ততবারই তিনি ও জিয়াউর রহমানের মতো করে অনুসরণ করে
ফিলিস্তিনের নির্যাতিত মানুষের পক্ষে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের মানুষের পক্ষ থেকে।
প্রফেসর ডা : শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘মুসলমানদের অনৈক্যই ফিলিস্তিন সংকট জিইয়ে রেখেছে। আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা থেকে বলছি পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর সংগ্রাম, স্বাধীনতা, ইতিহাস-ঐতিহ্য গবেষণার প্রতি আমার আগ্রহই আমাকে সামান্য অভিজ্ঞতা দান করেছে। এর আলোকে বলছি মুসলমানদেরকে নানা ভাবে বিভক্ত করে রাখা হয়েছে। শিয়া-সুন্নী তেমন একটা। এছাড়া বিভিন্ন দেশ ভাষা ও বর্ণের বিভক্তিও আছে। এসব বিভেদ ভুলে একটা মানবিক নৈতিক অবস্থানে আমাদেরকে থাকতে হবে। ইরানের ইসলামী বিপ্লবের রূপকথার একটি অসামান্য ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন বলেই আজ এ আলোচনা বিশ্বময় হচ্ছে। উল্লেখ্য তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর থেকে এ পর্যন্ত কোন সরকারই ফিলিস্তিনের বিপক্ষে ছিলো না এখনো নেই। এখন ” আল কুদ্দুস ”
জাতীয় ভাবে এই চেতনা আরো জোরদার হয়েছে। ১৯৭৯ সাল থেকে ‘আল–আকসা’ মসজিদ মুক্তির লক্ষে্য সমগ্র মুসলিম উম্মাহ প্রতিবছর রমজান মাসের শেষ শুক্রবার ‘আল–কুদস’ দিবস পালন করে। তখন থেকে সারা বিশ্বে দিনটি ফিলিস্তিন মুক্তির ও বিশ্ব মুসলিম ঐক্যের প্রতীকরূপে পালিত হয়।
Posted ১০:৫৭ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৪
banglapostbd.news | Rubel Mia
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
৭৮/৩ কাকরাইল, ভিআইপি রোড, ঢাকা-১০০০।