নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট | 5 বার পঠিত
মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদার
মৌলভীবাজার সফরকে কেন্দ্র করে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ও শয্যাশায়ী অবস্থায় থাকা জেলার প্রবীণ রাজনীতিবিদ খালেদা রব্বানীকে ঘিরেও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, খালেদা রব্বানী দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় শয্যাশায়ী থাকলেও দলের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও নিষ্ঠা অটুট রয়েছে।

তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করে বলেন, মৌলভীবাজার সফরকালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান যদি সময় করে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদকে একনজর দেখে যান, তবে তা খালেদা রব্বানী ও তাঁর পরিবারের জন্য হবে অত্যন্ত আনন্দের ও স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।
তারা আরও বলেন, দলের দুঃসময়ে খালেদা রব্বানীর অবদান ও ত্যাগ নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তাই তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে দলীয় প্রধানের একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রবীণ এই নেত্রীর মনোবল আরও বৃদ্ধি করবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।
এদিকে খালেদা রব্বানীর পরিবারও আশা প্রকাশ করেছেন যে, তারেক রহমানের মৌলভীবাজার আগমন উপলক্ষে তিনির মায়ের ( বেগম জিয়ার ‘) সারাজীবনের সাহসের বাতিঘর ,শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের তৈরি বিশ্বস্ত সহচর দলের নিবেদিত একজন জাতীয়তাবাদী রাজনীতির আইকনিক হিসেবেই খালেদা রব্বানী নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রের মহানায়ক রাষ্ট্র পরিচালনায় নিয়োজিত। জিয়াউর রহমান খালেদা রব্বানীকে দলে বিএনপির দায়িত্বপালনের পাশাপাশি – তখনকারদিনে গৃহিণী হিসেবে ‘ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ” সঙ্গে ‘ খালেদা রব্বানীকে নিয়োজিত রাখেন। অপরদিকে খালেদা রব্বানী তখনকারদিনে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপিকে প্রতিষ্ঠিত করে গোটা জেলায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত অবস্থায় ও তিনি বেগম জিয়ার সাথে সময়ে অসময়ে সঙ্গী হয়েই সাথে থাকতেন। শহীদ জিয়া শাহাদাতবরণের পর থেকেই তিনি জিয়া পরিবারের সদস্যদের সাথে অন্যতম একজন বিশ্বস্ত সঙ্গী সঙ্গিনী হিসেবে সুখ্যাত অর্জন লাভে সক্ষম হয়েছেন খালেদা রব্বানী। মোদ্দকথা সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে অধ্যায় রাষ্ট্র পরিচালনা থেকে শুরু করে রাজনীতিসহ সবকিছুর মূলে পুরোটাজুড়েই আছেন এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ বেগম খালেদা রব্বানী।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় : ১;/১১ এ পরবর্তী বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তখনকারদিনে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় সফর অর্থাৎ একদম শেষ সমাপনী এই সফর ভারতে যখন বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম জিয়ার সফরকালের সেই ভারত সফরের মধ্যে ও সফরসঙ্গী হয়েই দেশনেত্রী বেগম জিয়ার সাথে’ই ছিলেন – এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ বেগম খালেদা রব্বানী। প্রকারন্তরে এই ভারতের সফরকে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনীতির জীবনে এটি একটি ঐতিহাসিক দলিলের তথ্য’ মাইলফলক হিসেবে ‘ রুপান্তর ঘটে।
এমতাবস্থায় আমরা গোটা সিলেট বিভাগের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি – মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আপনার এই সফরকালে আপনার পরিবারের এক অন্যতম সদস্য- আপনার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান – আপনার মা – সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম জিয়ার একমাত্র বিশ্বস্ত সঙ্গী – আপনার মায়ের শূন্যতা লাগব হিসেবে ইহা একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত নজির স্থাপন করবেন বলে আমরা আশাবাদ ব্যক্ত করছি। কারণ হচ্ছে আপনার মায়ের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সকল ক্ষেত্রেই এই প্রবীণ নেত্রী তিনি অঙ্গাঙ্গীভাবে মিলেমিশে ছিলেন। আমরা মনে করি – দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার – অনুপস্থিতি মায়ের পরশের আলোকপাতের প্রতিচ্ছবি ছোঁয়ার দৃশ্য দেখতে পারবেন বলে আমাদের দৃঢ়বিশ্বাস।
প্রবীণ এই নেত্রীর খোঁজখবর নেওয়া হলে তা তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের প্রতি একটি সম্মানজনক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হবে এমনটাই শুধু নয়-।
এতে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হুবহু সেই সম্মান প্রদর্শন করা হবে এমন আদর্শিক জায়গা থেকে। সেই হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই – আপনার এই সফরের ফাঁকফোকরে মধ্যেই – অল্প কিছু কয়েক মিনিটের জন্য আপনি প্রবীণ নেত্রী বেগম খালেদা রব্বানীকে একজন দেখে যাবেন এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা আপনার নিকট বিশেষ আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
Posted ১১:৪২ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
banglapostbd.news | Mr. Metul
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
৭৮/৩ কাকরাইল, ভিআইপি রোড, ঢাকা-১০০০।